নবম দশম-দ্বিতীয় অধ্যায়- ভূগোল ও পরিবেশ

Sharing is caring!

ভূগোল ও পরিবেশ

দ্বিতীয় অধ্যায়মহাবিশ্ব আমাদের পৃথিবী

ভূমিকা : আমাদের আবাসভূমি পৃথিবীর চারদিকে ঘিরে আছে অসীম মহাকাশ। মহাকাশে রয়েছে অসংখ্য জ্যোতিষ্ক, বহু গ্রহ-নক্ষত্র। ক্ষুদ্র পোকামাকড় থেকে শুরু করে আমাদের এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের সব জ্যোতিষ্ক এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব।

সূর্য মহাবিশ্বের একটি নক্ষত্র। সূর্যকে ঘিরে যে জগৎ তাকে বলা হয় সৌরজগৎ। আমাদের পৃথিবী সৌরজগতেরই একটি গ্রহ।

সৌরজগৎ : সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত।

আর্থরাইস : চাঁদ প্রদক্ষিণকালে তোলা পৃথিবীর বিখ্যাত ছবি ‘আর্থরাইস’।

২৪ ডিসেম্বর ১৯৬৮ সালে মার্কিন নভোচারী উইলিয়াম এন্ডার্স অ্যাপোলো-৮ চন্দ্র অভিযানের সময় পৃথিবীর এই বিখ্যাত আলোকচিত্রটি ধারণ করেন। এই আলোকচিত্রটি পরবর্তীকালে বিশ্ব পরিবেশবাদী আন্দোলনের প্রতীকরূপে ব্যবহৃত হয়।

জ্যোতিষ্কমণ্ডল: অসীম মহাকাশের গ্রহ, নক্ষত্র, উপগ্রহ, ধূমকেতু, উল্কা, পালসার, কৃষ্ণবামন ও কৃষ্ণগহ্বর ইত্যাদি নিয়ে জ্যোতিষ্কমণ্ডল গঠিত হয়।

বিজ্ঞানীরা চাঁদ, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা ছাড়াও অনুজ্জ্বল নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি সবকিছুকেই জ্যোতিষ্ক বলে। এ জ্যোতিষ্কমণ্ডলী নিয়ে মহাবিশ্ব গঠিত হয়েছে।

আলোকবর্ষ : আলোকরশ্মির প্রতি সেকেন্ডে ১,৮৬,৩২৬ মাইল বেগে এবং বছরে যতটা দূরত্বে যায়, অর্থাৎ ৬x১০১২ মাইল বা ৯.৭x১০১২ কি.মি. তাকে আলোকবর্ষ বলে।

প্রক্সিমা সেন্টরাই : এটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।

নক্ষত্রমণ্ডলী : মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কতগুলো নক্ষত্র মিলে জোট বেঁধেছে। এরূপ নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।

প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে এগুলোর বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। এগুলোর মধ্যে সপ্তর্ষিমণ্ডল, কালপুরুষ, ক্যাসিওপিয়া ও এরিডানাস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

কালপুরুষ : কালপুরুষ হলো কতগুলো নক্ষত্রের সমষ্টি। পৌষ-মাঘ মাসে সন্ধ্যারাতে পূর্ব আকাশে শিকারী মানুষসদৃশ একটি নক্ষত্রমণ্ডল দেখা যায়। একে কালপুরুষ বলে।

এসএসসি সকল বিষয় নোট পেতে এখানে ক্লিক করুন

ক্যাসিওপিয়া : উত্তর আকাশে একটি উজ্জ্বল তারকামণ্ডলী, যা মাঝামাঝি দ্রাঘিমা থেকেও দেখা যায়। ক্যাসিওপিয়ার দ্বিতীয় ও তৃতীয় মানের পাঁচটি তারকা বিকৃত W অথবা M এর মতো দেখায়, যা দিয়ে ঐ জ্যোতিষ্কমণ্ডলীকে চিহ্নিত করা হয়।

এডমন্ড হ্যালি : এডমন্ড হ্যালি একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি মহাকাশে একটি ধূমকেতু আবিষ্কার করেন, যা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। এটি ৭৬ বছর পর পর দেখা যায়।

কৃত্রিম উপগ্রহ : এটি মানুষের তৈরি একটি উপগ্রহ, যা পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তথ্য আদান-প্রদান, গোয়েন্দা নজরদারি, খনিজ সম্পদের সন্ধান, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি কাজে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করা হয়।

অভিগত গোলক : কোনো গোলককে যদি একটি অক্ষের চারদিকে দ্রুত আবর্তন করানো হয়, তবে গোলকের নিরক্ষীয় তল বরাবর সর্বাধিক কেন্দ্রাতিগ বলের জন্য নিরক্ষীয় অঞ্চল স্ফীত হতে থাকে এবং শূন্য কেন্দ্রাতিক বলের জন্য মেরুদ্বয় বসে যেতে থাকে। এ পরিবর্তন কত দ্রুত হবে তা নির্ভর করে গোলক যে বস্তুতে তৈরি তার ঘনত্ব এবং দৃঢ়তার উপর। এ রকম গোলকই হলো অভিগত গোলক।

গুরুবৃত্ত : দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। এ রেখাকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা।

আর এ নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখাকে বলা হয় গুরুবৃত্ত । এ রেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

প্রতিপাদ স্থান : ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীত বিন্দুই হলো প্রতিপাদ স্থান।

প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীত দিকে থাকে। প্রতিপাদ স্থান নির্ণয় করার জন্য ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিতরেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়। ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে ভূপৃষ্ঠের বিপরীত পাশে এসে পৌছায়, সেই বিন্দুই পূর্ববিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।

মহাবিষুব : পৃথিবী তার নিজ অক্ষে চলতে চলতে ২২শে ডিসেম্বরের পর থেকে ২১শে মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে, যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে। ফলে ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়। আর এ দিনটি হলো মহাবিষুব।

ছায়াপথ : কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশই হলো ছায়াপথ। অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ-কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকাখচিত এ আলোর পথই হলো ছায়াপথ।

তথ্যছক

শিরোনামবিবরণ
১. আলোকবর্ষপৃথিবী ও নক্ষত্রের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। এই দূরত্ব আলোকবর্ষ এককে মাপা হয়।
২. পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্বসূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড । পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
৩. নক্ষত্রের বিভিন্ন নামজ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্র দলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে সপ্তর্ষিমণ্ডল, কালপুরুষ, ক্যাসিওপিয়া, লঘুসপ্তর্ষি ইত্যাদি বিভিন্ন নাম দিয়েছেন।
৪. সৌরজগতের গ্রহসৌরজগতের গ্রহ আটটি- বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
৫. সৌরজগতের নিয়ন্ত্রকসৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্যকে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ চলে।
৬. গ্রহরাজবৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কি. মি.। পৃথিবীর তুলনায় ১,৩০০ গুণ বড় একে গ্রহরাজ বলা হয়। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
৭. মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীকে যেমন দেখেছেনমহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে দেখেছেন, পৃথিবী গোলাকার কিন্তু উত্তর-দক্ষিণে কিছুটা চাপা। পূর্ব-পশ্চিম কিছুটা স্ফীত। |
৮. পৃথিবীর বিভক্তিপৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে কল্পিত রেখার উত্তরে অবস্থিত অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ ও দক্ষিণে অবস্থিত অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে।
৯. সৌরদিন  পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মি, ৪ সেকেন্ড। একে সৌরদিন বলা হয়।
১০. বায়ুপ্রবাহের দিকফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন১। কোনটিকে মহাকাশ বলা হয়?

উত্তর : আদি-অন্তহীন আকাশকে মহাকাশ বলা হয় ।

প্রশ্ন২। কোথায় অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে?

উত্তর : মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।

প্রশ্ন৩। নক্ষত্রগুলো কী দিয়ে তৈরি?

উত্তর : নক্ষত্রগুলো হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।

প্রশ্ন৪। দিনের বেলায় কেন অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না?

উত্তর : সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দেখা যায় না।

প্রশ্ন৫। মহাকাশে কতগুলো গ্যালাক্সি রয়েছে?

উত্তর : মহাকাশে একশ বিলিয়ন গ্যালাক্সি রয়েছে।

প্রশ্ন৬। ছায়াপথ কাকে বলে?

উত্তর : কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বলা হয়।

প্রশ্ন৭। সূর্যের ব্যাস কত?

উত্তর : সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লাখ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।

প্রশ্ন৮। সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক কোনটি?

উত্তর : সূর্য সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক।

প্রশ্ন৯। সূর্যকে কেন্দ্র করে কয়টি গ্রহ ঘুরছে?

উত্তর : সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ ঘুরছে।

প্রশ্ন১০। বুধের ব্যাস কত?

উত্তর : বুধের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন১১। কোন গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই?

উত্তর : বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

প্রশ্ন১২। উত্তর গোলার্ধে কত তারিখে দীর্ঘতম দিন ক্ষুদ্রতম রাত হয়?

উত্তর : ২১শে জুন।

প্রশ্ন১৩। কোন গ্রহে দুবার সূর্য ওঠে দুবার অস্ত যায়?

উত্তর : বৃহস্পতি গ্রহে।

প্রশ্ন১৪। বৃহস্পতির অভ্যন্তরের তাপমাত্রা কত?

উত্তর : প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস।

প্রশ্ন১৫। কোন গ্রহের ভূতৃক বরফে ঢাকা?

উত্তর : শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা।

প্রশ্ন১৬। ইউরেনাসের গড় ব্যাস কত?

উত্তর : ইউরেনাসের গড় ব্যাস ৪৯,০০০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন১৭। সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে নেপচুনের স্থান কত?

উত্তর : সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে নেপচুনের স্থান অষ্টম।

প্রশ্ন১৮। কোন গ্রহ আয়তনে প্রায় ৭২টি পৃথিবীর সমান?

উত্তর : নেপচুন গ্রহ।

প্রশ্ন১৯। কোন গ্রহে সূর্যের আলো তাপ খুব কম?

উত্তর : নেপচুন গ্রহে সূর্যের আলো ও তাপ খুব কম।

প্রশ্ন২০। অক্ষরেখা কাকে বলে?

উত্তর : পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষরেখা বলা হয়।

প্রশ্ন২১। অক্ষাংশ কী?

উত্তর : অক্ষরেখার ডিগ্রিকে অক্ষাংশ বলা হয়।

প্রশ্ন২২। দ্রাঘিমা নির্ণয়ের কয়টি পদ্ধতি রয়েছে?

উত্তর : দ্রাঘিমা নির্ণয়ের দুটি পদ্ধতি রয়েছে।

প্রশ্ন২৩। কোথায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি?

উত্তর : নিরক্ষরেখায়।

প্রশ্ন২৪। ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ কত?

উত্তর : ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কি.মি.।

প্রশ্ন২৫। কত তারিখে সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?

উত্তর : ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর।

প্রশ্ন২৬। পুরো পৃথিবীকে কয়টি গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তর : পুরো পৃথিবীকে দুটি গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে।

প্রশ্ন২৭। কোন গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান?

উত্তর : উত্তর গোলার্ধে।

প্রশ্ন২৮। একজন ভূগোলবিদের জন্য কী নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি?

উত্তর : অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।

প্রশ্ন২৯। পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?

উত্তর : পৃথিবীর পরিধি দ্বারা উৎপন্ন কোণ ৩৬০°।

প্রশ্ন৩০। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ইউরেনাসের কত সময় লাগে?

উত্তর : ৮৪ বছর।

প্রশ্ন৩১। কোন গ্রহ পৃথিবীর সাতাশ ভাগের এক ভাগ তাপ পায়?

উত্তর : বৃহস্পতি।

প্রশ্ন৩২। বৃহস্পতির ব্যাস কত?

উত্তর : বৃহস্পতির ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন৩৩। মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে কী রয়েছে?

উত্তর : গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

প্রশ্ন৩৪। কোন গ্রহের বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি?

উত্তর : শুক্র গ্রহের বায়ুমণ্ডল।

প্রশ্ন৩৫। শুক্র গ্রহ কিসে ঢাকা?

উত্তর : শুক্র গ্রহ ঘন মেঘে ঢাকা।

প্রশ্ন৩৬। সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল উত্তপ্ত গ্রহ কোনটি?

উত্তর : সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও উত্তপ্ত গ্রহ শুক্র।

প্রশ্ন৩৭। কোন গ্রহটি হালকা পদার্থ দিয়ে গঠিত?

উত্তর : ইউরেনাস হালকা পদার্থ দিয়ে গঠিত।

প্রশ্ন৩৮। দ্রাঘিমারেখা কাকে বলে?

উত্তর : নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রতিটি ভাগ বিন্দুর উপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যেসব রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে ।

প্রশ্ন৩৯। কোন গ্রহের উপরিতল চাঁদের মতো?

উত্তর : বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।

প্রশ্ন৪০। অধিবর্ষ কী?

উত্তর : প্রতি চার বছর পর পর ৩৬৬ দিনে বছর ধরা হয়, এ বছরকে অধিবর্ষ বলা হয়।

প্রশ্ন৪১। মকর সংক্রান্তি কাকে বলে?

উত্তর : ২২শে ডিসেম্বর সূর্য দক্ষিণায়নের শেষ সীমায় পৌছায়, একে বলা হয় মকর সংক্রান্তি।

প্রশ্ন৪২। সূর্যকে পরিক্রমণের সময় পৃথিবী কত ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে?

উত্তর : সূর্যকে পরিক্রমণের সময় পৃথিবী ৬৬.৫° কোণে হেলে থাকে।

প্রশ্ন৪৩। কোন গ্রহে এসিড বৃষ্টি হয়?

উত্তর : শুক্র গ্রহে।

প্রশ্ন৪৪। সৌরজগতের কোন গ্রহকে লালচে দেখায়?

উত্তর : মঙ্গলগ্রহ।

প্রশ্ন৪৫। ° অক্ষরেখাকে কী বলে?

উত্তর : নিরক্ষরেখা।

প্রশ্ন৪৬। মূল মধ্যরেখার মান কত ডিগ্রি?

উত্তর : মূল মধ্যরেখার মান ০°।

প্রশ্ন৪৭। বুধ গ্রহে কয় দিনে বছর হয়?

উত্তর : বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে ১ বছর হয়।

প্রশ্ন৪৮। সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে নেপচুনের স্থান কত?

উত্তর : সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে নেপচুনের স্থান অষ্টম।

প্রশ্ন৪৯। পুরো পৃথিবীকে কয়টি গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে?

উত্তর : পুরো পৃথিবীকে দুটি গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে।

প্রশ্ন৫০। ইউরেনাস নিজ অক্ষে আবর্তন করতে কত সময় নেয়?

উত্তর : ১০ ঘণ্টা ৪১ মিনিট।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন১। উপগ্রহ কেন গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ। বলে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এদের | নিজস্ব আলো বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলো বা তাপ পায়। চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ।

প্রশ্ন২। কীভাবে আহ্নিক গতি প্রমাণ করা যায়?

উত্তর : আহ্নিক গতির সপক্ষে প্রমাণ হলো, পৃথিবী থেকে যেসব উপগ্রহ ও মহাকাশযান পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর পাঠানো ছবি থেকে দেখা যায়। যে, পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করছে। এ ছবিগুলালোই পৃথিবীর আবর্তন বা আহ্নিক গতির সর্বাধুনিক ও নির্ভুল প্রমাণ। যখন বাতাস স্থির থাকে, তখন উঁচু স্তমত থেকে পাথর বা ভারী বস্তু ফেললে দেখা যায় যে, পাথরটি ঠিক সোজা না পড়ে একটু পূর্বদিকে ঘেঁষে মাটিতে পড়ে। এ পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় যে, পৃথিবী পশ্চিমদিক থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করছে।

প্রশ্ন৩। নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কেন?

উত্তর : পৃথিবীর আহ্নিক গতি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম। পৃথিবীপৃষ্ঠ পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর পৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়। সে কারণে পৃথিবীপৃষ্ঠের সব স্থানের আবর্তন বেগও সমান নয়। নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর পরিধি সবচেয়ে বেশি। এজন্য নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি।

প্রশ্ন৪। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International date line) প্রবর্তন করা হয়েছে কেন?

উত্তর : আমরা জানি, ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম একই দ্রাঘিমারেখা। তবে এখানে সময়ের পার্থক্য হয়ে যাচ্ছে পুরো ২৪ ঘণ্টা। এক্ষেত্রে, তারিখও হয়ে যাচ্ছে দুই রকম। এ অসুবিধা দূর করার জন্য পৃথিবীর মানচিত্রে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে ১৮০° দ্রাঘিমা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International date line) প্রবর্তন করা হয়েছে।

প্রশ্ন৫। ২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় রাত ছোট হয় কেন?

উত্তর : ২১শে মার্চের পর থেকে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে এগিয়ে চলার সাথে সাথে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। এর সাথে। সাথে যত দিন যায়, তত উত্তর মেরুতে আলোকিত অংশ বাড়তে থাকে। এভাবে ২১শে জুনে গিয়ে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে। ফলে ২১শে জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট

প্রশ্ন৬। ধূমকেতু কেন অনেক বছর পর পর আবির্ভূত হয়?

উত্তর : মহাকাশে মাঝে মাঝে এক প্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে, যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু। বলা হয়। এরা অনেক দীর্ঘপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।

প্রশ্ন৭। উল্কাকে কেন ছুটন্ত তারা মনে হয়?

উত্তর : রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময় মনে হয় যেন নক্ষত্র ছুটে যাচ্ছে বা মনে হয় কোনো নক্ষত্র যেন এইমাত্র খসে পড়ল। এ ঘটনাকে বলা হয় নক্ষত্র পতন বা তারা খসা। এরা কিন্তু আসলে কোনো নক্ষত্র নয়, এদের নাম উল্কা। বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। ফলে এদের ছুটন্ত তারা বলে মনে হয়।

প্রশ্ন৮। ফেরেলের সূত্র দ্বারা আহ্নিক গতি কীভাবে প্রমাণ করা যায়?

উত্তর : আমরা জানি, সমুদ্রস্রোত এবং বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। এ বেঁকে যাওয়াটা ফেরেলের সূত্র থেকে পরিচিত। বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের এ গতিবেগ প্রমাণ করে। যে, আহ্নিক গতিতে পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করছে।

প্রশ্ন৯। বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের গতির দিক উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায় কেন?

উত্তর : পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর অভিগত গোলকের কারণে নিরক্ষরেখা থেকে উভয় মেরুর দিকে অক্ষরেখাগুলোর পরিধি ও পৃথিবীর আবর্তনের গতিবেগ ক্রমশ কমতে থাকে। এসব কারণের জন্য পৃথিবীর বায়ুপ্রবাহ বা সমুদ্রস্রোতের গতির দিক সরাসরি উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায় ।

প্রশ্ন১০। পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাসবৃদ্ধির প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ হলো পৃথিবীর অভিগত গোলাকৃতি, পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ, পৃথিবীর অবিরাম আবর্তন ও পরিক্রমণ গতি, পৃথিবীর মেরুরেখার সর্বদা একই মুখে অবস্থান, সূর্যকে প্রদক্ষিণের সময় পৃথিবী আপন মেরুরেখাকে কক্ষপথের সাথে ৬৬.৫° কোণে হেলিয়ে রাখে। এসব কারণে পৃথিবীর দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।

প্রশ্ন১১। ২১শে মার্চকে কেন বাসন্ত বিষুব বলা হয়?

উত্তর : ২১শে মার্চ নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং এ দিনকে বিষুব বলে। ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল, তাই একে বাসন্ত বিষুব বলে।

প্রশ্ন১২। একটি স্থানের অক্ষাংশ কীভাবে নির্ণয় করা যায়?

উত্তর : কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে হলে সেই মধ্যবিন্দুর সাথে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) প্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয়, তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ। যেমন- নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ ৯০°। এটিই হলো উত্তর মেরুর অক্ষাংশ। এভাবে দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশও ৯০°।

প্রশ্ন১৩। ২২শে ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন কেন?

উত্তর : ২৩শে সেপ্টেম্বরের পর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে। ফলে দক্ষিণ মেরু যতই সূর্যের নিকটবর্তী হতে থাকে দক্ষিণ | গোলার্ধে রাতের তুলনায় দিন ততই দীর্ঘ হতে থাকে। দক্ষিণ গোলার্ধ বেশিক্ষণ ধরে সূর্যকিরণ পায় এবং সূর্যরশ্মি মকরক্রান্তিতে লম্বভাবে পড়ে। এতে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এবং ২২শে ডিসেম্বর তারিখে পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি আসে। ঐ দিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন হয় ।

এসএসসি সকল বিষয় নোট পেতে এখানে ক্লিক করুন

প্রশ্ন১৪। ধূমকেতু কী? বর্ণনা দাও।

উত্তর : মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায় এবং সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে।

প্রশ্ন১৫। পৃথিবীতে আসার পূর্বেই অধিকাংশ উল্কা নিঃশেষ হয়ে যাবার কারণ কী?

উত্তর : মহাকাশে অসংখ্য উল্কা ভেসে বেড়ায়। মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের আকর্ষণে এসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। উল্কা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ভিতর দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৭৫ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হয়। এই উল্কা বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সাথে ঘর্ষণের ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শুধুমাত্র কয়েক আউন্স থেকে বহু টন ওজনের কিছু উল্কা ভূপৃষ্ঠে আঘাত হানতে পারে।

প্রশ্ন১৬। অধিবর্ষ গণনা কীভাবে করা হয়?

উত্তর : সূর্যকে পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড । কিন্তু আমরা ৩৬৫ দিনে এক বছর ধরি। এতে প্রতিবছর প্রায় ৬ ঘণ্টা অতিরিক্ত থেকে যায়। এ অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে সময়ের সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়। এভাবে যে বছর ফেব্রুয়ারি মাসকে ১ দিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয় এবং ঐ বছরটিকে ৩৬৬ দিনে ধরা হয়। এভাবে অধিবর্ষ গণনা করা হয়।

প্রশ্ন১৭। নীহারিকা কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যসীয় পদার্থে পূর্ণ, এদের গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। একেকটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক: এই নীহারিকার মঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।

* তথ্য কণিকা *

  • আদি-অন্তহীন আকাশকে বলা হয় – মহাকাশ।
  • পৃথিবী ও নক্ষত্রের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব মাপা হয় আলোকবর্ষ এককে।
  • সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে – ৮মিনিট ১৯ সেকেন্ড
  • পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী দূরত্ব – ১৫ কোটি কিলোমিটার।
  • সৌরজগতের গ্রহ – আটটি। বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।
  • জ্যোতিবিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্র দলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে নাম দিয়েছেন – সপ্তর্ষিমণ্ডল, কালপুরুষ, ক্যাসিওপিয়া, লঘুসপ্তর্ষি ইত্যাদি।
  • বৃহস্পতি সৌরজগতের – সবচেয়ে বড় গ্রহ।
  • গ্রহরাজ বলা হয় – বৃহস্পতিকে।
  • সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ – উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো – সূর্য।
  • বৃহস্পতি পৃথিবীল তুলনায় – ১,৩০০ গুণ বড়।
  • সূর্য থেকে বৃহস্পতির দূরত্ব – ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার।
  • বৃহস্পতির ব্যাস – ১,৪২,৮০০ কি.মি.।
  • মহাকশচারী ইউরি গ্যাগারিন – সর্বপ্রথম স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে দেখেছেন।
  •  মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন পৃথিবীকে দেখেছেন- পৃথিবী গোলাকার কিন্তু উত্তর-দক্ষিণে কিছুটা চাপা।
  • পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর আবর্তন করতে সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬মিনিট ৪ সেকেণ্ড – একে সৌরদিন বলা হয়।
  • বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায় এটি -ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী।
  • পৃথিবীকে পূর্ব – পশ্চিমে বেষ্টন কারী কল্পিত রেখার উত্তরে অবস্থিত অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ ও দক্ষিণে অবস্থিত অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে।
  • রাতের আকাশে অনেক আলোক বিন্দু মিটমিট করে জ্বলতে দেখা যায় এসব জ্যোতিষ্ক হলো – নক্ষত্র।
  • কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশই হলো – ছায়াপথ।
  • নিকটতম নক্ষত্র – প্রক্সিমা সেন্টরাই।
  • ‘Black hole’ শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ – কৃষ্ণগহ্বর
  • কোন গ্রহে দুবার সূর্য ওঠে ও দুবার অস্ত যায়- বৃহস্পতি গ্রহে।
  • নক্ষত্রগুলো – হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
  • কোন গ্রহের ভূত্বক বরফে ঢাকা – শনি গ্রহের।
  • কোন গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত – শনি গ্রহ।
  • নীহারিকা-এর ইংরেজি শব্দ- Nebulae
  • ৬৬.৫ উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত
  • ৬৬.৫ দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত
  • বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে।
  • যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে-সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
  • অক্ষাংশ = ৯০ (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ± বিষুবলম্ব)

 গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। কোন গ্রহের ২৭টি উপগ্রহ আছে?

ক. মঙ্গল                                             খ. বৃহস্পতি

গ. শনি                                                ঘ. ইউরেনাস

উত্তর: ঘ. ইউরেনাস

২। আহ্নিক গতির ফলে-

i. পৃথিবীতে দিবারাত্রি সংঘটিত হয়

ii. ঋতু পরিবর্তন হয়

iii. তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি হয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                             ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: খ. i ও iii

নিচের চিত্র থেকে নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও :

৩। উপরের চিত্রে উলম্বভাবে আঁকা রেখাগুলোর মধ্যে ° দ্বারা চিহ্নিত রেখা কোনটি?

ক. নিরক্ষরেখা                                     খ. মেরুরেখা

গ. মূল মধ্যরেখা                                  ঘ. কর্কটক্রান্তি রেখা

উত্তর: গ. মূল মধ্যরেখা 

৪। উক্ত রেখাগুলো গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এদের সাহায্যে-

i. স্থানের স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় নির্ণয় করা যায়

ii. কোনো স্থানের সঠিক অবস্থান জানা যায়

iii. সমুদ্রগামী জাহাজের অবস্থান নির্ণয় করা যায়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                             ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ঘ. i, ii ও iii

৫। ‘Black hole’ শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ কী?

ক. কৃষ্ণবামন                                      খ. কৃষ্ণগহর

গ. কালপুরুষ                                      ঘ. নীহারিকা

উত্তর: খ. কৃষ্ণগহর

৬। ক্যাসিওপিয়া কী?

ক. একটি মেয়ের নাম                        খ. একটি নদীর নাম

গ. একটি গ্রহের নাম                           ঘ. একটি নক্ষত্রমণ্ডলীর নাম

উত্তর: ঘ. একটি নক্ষত্রমণ্ডলীর নাম

৭। উত্তর গোলার্ধে কত তারিখে দীর্ঘতম দিন হয়?

ক. ২২ ডিসেম্বর                                  খ. ২৩ সেপ্টেম্বর

গ. ২১ জুন                                           ঘ. ২১ মার্চ

উত্তর: গ. ২১ জুন

৮। মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন কত সালে?

ক. ১৯৫১ সালে                                   খ. ১৯৬১ সালে

গ. ১৯৭৪ সালে                                    ঘ. ১৯৮৬ সালে

উত্তর: খ. ১৯৬১ সালে

নিচের ছকটি লক্ষ কর :

গ্রহপ্রদক্ষিণকালউপগ্রহ
X৩০,৬৬০ দিনআছে

৯। ‘x’ গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?

ক. ১টি                                                 খ. ২টি

গ. ২৭টি                                               ঘ. ৬২টি

উত্তর: গ. ২৭টি

১০। ২২ শে মার্চ দক্ষিণ গোলার্ধে ঢাকার মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ৬০° এবং বিষুব লম্ব ১৬° দক্ষিণ হলে, ঢাকার অক্ষাংশ কত?

ক. ১৪° দক্ষিণ                                     খ. ৪৬° দক্ষিণ

গ. ১৩৪° দক্ষিণ                                   ঘ. ১৫৬° দক্ষিণ

উত্তর: ক. ১৪° দক্ষিণ

১১। ঋতু পরিবর্তনে প্রভাবিত হয়

i. সংস্কৃতি

ii. কর্মক্ষেত্র

ii. জীবনমান

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                             ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ঘ. i, ii ও iii

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর ১২ ১৩ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

অণুচিত্র : সৌরজগতের একাংশ

১২। X-গ্রহের উপগ্রহ কোনটি?

ক. চাঁদ                                                খ. ডিমোস

গ. ফোবস                                           ঘ. টাইটান

উত্তর: ক. চাঁদ

১৩। Y Z গ্রহের মধ্যে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়-

i. উপগ্রহের সংখ্যায়

ii. সূর্য থেকে দূরত্ব

iii. নিজ অক্ষে আবর্তনে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: খ. i ও iii

১৪। কোন গ্রহের ভূত্বক বরফে ঢাকা?

ক. শনি                                                খ. নেপচুন

গ. বৃহস্পতি                                         ঘ. ইউরেনাস

উত্তর: ক. শনি

১৫। মঙ্গল গ্রহে জীব টিকে না থাকার কারণ

i. অপর্যাপ্ত অক্সিজেন

ii. স্বল্প পরিমাণ পানি

iii. অত্যধিক কার্বন ডাই-অক্সাইড

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ঘ. i, ii ও iii

১৬। সৌরজগত্রে বৃহত্তম গ্রহ কোনটি?

ক. পৃথিবী খ. মঙ্গল

গ. বৃহস্পতি ঘ. শনি

উত্তর: গ. বৃহস্পতি

১৭। বার্ষিক গতির ফলে-

i. দিবারাত্রি সংঘটিত হয়

ii. ঋতুর ভিন্নতা দেখা যায়

iii. তাপমাত্রার পরিবর্তন হয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: গ. ii ও iii

১৮। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে?

ক. ৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ড                   খ. ৮ মিনিট ১৮ সেকেন্ড

গ. ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড                    ঘ. ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড

উত্তর: গ. ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড

১৯। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার বৈশিষ্ট্য নিরূপণে বলা যায়-

i. এটি পৃথিবীর কোনো ভূমিকে অতিক্রম করেনি

ii. এটি পৃথিবীর কোনো জলরাশিকে অক্রিম করেনি

iii. একই স্থানে দুই রকম জটিলতা নিরসনে এটি বিশেষ সহায়ক

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                              খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                             ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: খ. i ও iii

২০। পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে

i. দিবারাত্রির হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে

ii. তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি

iii. উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ সৃষ্টি

নিচের কোনটি সঠিক?

. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: গ. ii ও iii

২১। কোন রেখা থেকে পূর্ব পশ্চিমের অবস্থান জানা যায়?

ক. দ্রাঘিমারেখা                                   খ. মূল মধ্যরেখা

গ. অক্ষরেখা                                       ঘ. সমাক্ষরেখা

উত্তর: খ. মূল মধ্যরেখা

২২। নীহারিকাএর ইংরেজি শব্দ কী?

ক. Meteor                                         খ. Nebulae

গ. Comet                                           ঘ. Milky Way

উত্তর: খ. Nebulae

২৩। নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?

ক. ৩০                                               খ. ৬০°

গ. ৯০°                                                ঘ. ১৮০°  

উত্তর: গ. ৯০°

২৪। আহ্নিক গতির ফলে-

i. দিবা-রাত্রি সংঘটিত হয়

ii. ঋতুর পরিবর্তন হয়

iii. সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও iii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: খ. i ও iii

২৫। কোন গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়?

ক. বুধ                                                  খ. শুক্র

গ. মঙ্গল                                              ঘ. শনি

উত্তর: ক. বুধ

২৬। কোন গ্রহটি কম উজ্জ্বল?

ক. শুক্র                                              খ. মঙ্গল

গ. বৃহস্পতি                                         ঘ. ইউরেনাস

উত্তর: ঘ. ইউরেনাস

২৭। মহাকাশে অসংখ্য প্রাণহীন ভাসমান পিণ্ডাকৃতি জ্যোতিষ্ককে কী বলে?

ক. নীহারিকা                                       খ. উল্কা

গ. পালসার                                          ঘ. তারকা

উত্তর: খ. উল্কা

২৮। দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি স্থানের মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ৩৫ এবং বিষুবলম্ব ১০° দক্ষিণ হলে স্থানের অক্ষাংশ কত হবে?

ক. ৪৫° দ.                                          খ. ৬৫° দ.

গ. ১১৫° দ.                                          ঘ. ১৩৫° দ.

উত্তর: ক. ৪৫° দ.

২৯। কোন গ্রহে এসিড বৃষ্টি হয়?

ক. পৃথিবী                                            খ. মঙ্গল

গ. শুক্র                                               ঘ. বুধ

উত্তর: গ. শুক্র

৩০। Orion কী?

ক. ক্যালিওপিয়া                                  খ. আদমসুরত

গ. লঘুসপ্তর্ষি                                        ঘ. এরিডানাস

উত্তর: খ. আদমসুরত

৩১। পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র হলো-

ক. প্রক্সিমা সেন্টারাই                           খ.ক্যাসিওপিয়া

গ. কালপুরুষ                                      ঘ. সূর্য

উত্তর: ঘ. সূর্য

নিচের চিত্রটি দেখ এবং ৩২ ৩নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

৩২। বিষুব রেখা কোনটি?

ক. ৯০° উত্তর                                     খ. ০

গ. ২৩.৫° উত্তর                                  ঘ. ৯০° দক্ষিণ

উত্তর: খ. ০

৩৩। ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ হলো-

ক. সুমেরুবৃত্ত                                     খ. কুমেরুবৃত্ত

গ. মকরক্রান্তি                                    ঘ. কর্কটক্রান্তি

উত্তর: গ. মকরক্রান্তি

৩৪। কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলে?

ক. উপগ্রহ                                          খ. ছায়াপথ

গ. ধূমকেতু                                         ঘ. উল্কা

উত্তর: খ. ছায়াপথ

নিচের ছকটি পড় এবং ৩৫ ৩৬নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

গ্রহব্যাস(কিলোমিটার)পরিক্রমণকাল
C১২,১০৪২২৫ দিন

৩৫। সূর্য থেকে ছকের ‘C’ চিহ্নিত গ্রহটির দূরত্ব কত?

ক. ৫.৮ কোটি কিলোমিটার                খ. ১০.৮ কোটি কিলোমিটার

গ. ২২.৮ কোটি কিলোমিটার             ঘ. ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার

উত্তর: খ. ১০.৮ কোটি কিলোমিটার

৩৬। উক্ত গ্রহের বৈশিষ্ট্য কোনটি?

ক. এর ভূত্বক বরফে ঢাকা                 

খ. গ্রহটি উজ্জ্বল বলয় দিয়ে বেষ্টিত

গ. এটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়

ঘ. এর ভূত্বক এবড়ো থেবড়ো

উত্তর: গ. এটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়

৩৭। কৃষ্ণবামনের মহাকর্ষ বল অত্যন্ত বেশি হওয়ার কারণ কী?

ক. ঘনত্ব খুব বেশি                               খ. ঘনত্ব কম

গ. চৌম্বক বেশি                                  ঘ. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বেশি।

উত্তর: ক. ঘনত্ব খুব বেশি

৩৮। কোন গ্রহের ৬৭টি উপগ্রহ আছে?

ক. মঙ্গল                                             খ. বৃহস্পতি

গ. শনি                                                ঘ. ইউরেনাস

উত্তর: খ. বৃহস্পতি

সৌরজগতের চিত্রটি লক্ষ কর এবং ৩৯ ৪০নং প্রশ্নের উত্তর দাও :

সূর্য → [A] → শুক্র →  পৃথিবী →  [B] →  

৩৯। ‘B’ স্থানের গ্রহটির নাম?

ক. বুধ                                                  খ. বৃহস্পতি

গ. শনি                                                ঘ. মঙ্গল

উত্তর:ঘ. মঙ্গল

৪০। চিত্রের ‘A’ ‘B’ স্থানের গ্রহ দুটির সূর্য থেকে দূরত্বের পার্থক্য কত?

ক. ১৭ কোটি কিলোমিটার                  খ. ১৮ কোটি কিলোমিটার

গ. ১৯ কোটি কিলোমিটার                  ঘ. ২০ কোটি কিলোমিটার

উত্তর: ক. ১৭ কোটি কিলোমিটার

৪১। হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ কোন সালে দেখা গিয়েছিল?

ক. ১৭৫৯                                            খ. ১৮৩৫

গ. ১৯১০                                             ঘ. ১৯৮৬

উত্তর: ঘ. ১৯৮৬

৪২। দিন রাতের আলোর বিশেষ তারতম্য থাকে না কোন গ্রহের?

ক. শনি                                                খ. শুক্র

গ. পৃথিবী                                            ঘ. মঙ্গল

উত্তর: খ. শুক্র

৪৩। পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?

ক. ৩৬০                                           খ. ১৮০

গ. ৯০                                                ঘ. ০

উত্তর: ক. ৩৬০

৪৪। পৃথিবীর গতি কত প্রকার?

ক. এক                                               খ. দুই 

গ. তিন                                                ঘ. চার

উত্তর: খ. দুই 

৪৫। কালপুরুষ হচ্ছে

ক. নক্ষত্রমণ্ডলী                                  খ. নক্ষত্র

গ. উপগ্রহ                                           ঘ. ধূমকেতু

উত্তর: ক. নক্ষত্রমণ্ডলী

৪৬। গ্রহগুলো কেন বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে?

ক. মাধ্যাকর্ষণ                                     খ. অভিকর্ষ

গ. গতিশীল বল                                  ঘ. স্থিতিশীল বল

উত্তর: ক. মাধ্যাকর্ষণ

৪৭। গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ হলো

i. গ্রহ, নক্ষত্রের বিশাল সমাবেশ

ii. ধূমকেতু, বাষ্পকুন্ডের বিশাল সমাবেশ

iii. উল্কা, নীহারিকার বিশাল সমাবেশ

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                              খ. i ও ii

গ. ii ও iii                                             ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ক. i ও ii

৪৮। পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে কোন স্থানের দ্রাঘিমাকে?

ক. লন্ডন                                             খ. গ্রিনিচ

গ. নিউইয়র্ক                                        ঘ. ওয়াশিংটন

উত্তর: খ. গ্রিনিচ

৪৯। ২৩.° উত্তর অক্ষাংশকে কী বলে

ক. কর্কটক্রান্তি                                   খ. মকরক্রান্তি

গ. সুমেরু                                            ঘ. কুমেরু

উত্তর: ক. কর্কটক্রান্তি

৫০। পৃথিবীর আকারআকৃতি সম্পর্কে বলা যায়-

i. নিরক্ষীয় ও মেরুদেশীয় ব্যাস ভিন্ন

ii. সম্পূর্ণ গোলাকার নয়

iii. নিরক্ষীয় পরিধি সবচেয়ে কম

নিচের কোনটি সঠিক?

ক. i ও ii                                               খ. i ও iii

গ. ii ও ii                                              ঘ. i, ii ও iii

উত্তর: ক. i ও ii

আরও গুরুত্বপূর্ণ বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর PDF পেতে এখানে ক্লিক করুন

গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১ : নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. চন্দ্র কী?

খ. নিরক্ষরেখা বলতে কী বোঝায়?

গ. ‘P’ চিহ্নিত গ্রহটি জীবের জন্য বসবাস উপযোগী কেন? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘Q’ ও ‘R’ চিহ্নিত গ্রহ দুটির বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

নং প্রশ্নের উত্তর

. চন্দ্র পৃথিবীর একটি উপগ্রহ।

. পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে। পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির জন্য এ রেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলা হয়। এ রেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুভাগে ভাগ করেছে। নিরক্ষরেখার উত্তরদিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণদিকের পৃথিবীর অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।

. উদ্দীপকে ‘P’ চিহ্নিত গ্রহটি হলো পৃথিবী। এ গ্রহটি জীবের জন্য বসবাস উপযোগী হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

পৃথিবী আমাদের বাসভূমি। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী একমাত্র গ্রহ, যার বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে, যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী। জীবের বসবাসের জন্য অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড একটি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রয়োজন হয়। পৃথিবীতে বায়ুমণ্ডলের উক্ত উপাদানগুলো জীবের বসবাসের জন্য সঠিক মাত্রায় রয়েছে। এ কারণে পৃথিবীতে জীবের বসবাস উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।

সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে। সুতরাং বলা যায়, ‘P’ চিহ্নিত গ্রহটি, অর্থাৎ পৃথিবীতে জীবের। বসবাস উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।

. উদ্দীপকে ‘Q’ চিহ্নিত গ্রহটি হলো শনি গ্রহ। ‘R’ চিহ্নিত গ্রহটি হলো বৃহস্পতি। নিচে শনি ও বৃহস্পতি গ্রহ দুটির বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-

শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কি.মি.। এর ব্যাস ১,২০,০০০ কি.মি.। শনির ভূতৃক বরফে ঢাকা। এর বায়ুমণ্ডলে আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস। সূর্যের চারদিকে ঘুরে আসতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান। শনি উজ্জ্বল বলয় দ্বারা গঠিত এবং এর ৬২টি উপগ্রহ আছে।

অন্যদিকে, বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর আয়তনের চেয়ে ১৩০০ গুণ বড়। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন অর্থাৎ এখানে ৪,৩৩১ দিনে এক বছর। সুতরাং দেখা যায়, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহ দুটির বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে।

এসএসসি সকল বিষয় নোট পেতে এখানে ক্লিক করুন

প্রশ্ন-২ : নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?

খ. অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?

গ. ‘W’ অবস্থানে দিনরাত্রির কী ধরনের পরিবর্তন হবে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. পৃথিবীর পরিক্রমণকালে ‘w’ এবং ‘x’ অবস্থানে কি একই ধরনের ঋতু পরিলক্ষিত হয়? বিশ্লেষণ কর।

২নং প্রশ্নের উত্তর

. ২১শে জুন উত্তর গোলার্ধের বড় দিন।

. একবার সূর্যকে পূর্ণ পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। কিন্তু আমরা ৬৫ দিনকে এক বছর ধরি বলে প্রতিবছর প্রায় ৬ ঘণ্টা অতিরিক্ত থেকে যায় । এই অতিরিক্ত সময়ের সামঞ্জস্য আনার জন্য প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিন বাড়িয়ে সময়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়। এভাবে যে বছর ফেব্রুয়ারি মাসকে ১ দিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয়, ঐ বছরটিকে ৩৬৬ দিন ধরা হয়। এ বর্ধিত বছরকে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার (Leap Year) বলা হয়।

. উদ্দীপকে দেখা যায়, ১২ই জুলাই পৃথিবী ‘W’ অবস্থানে থাকে।

এ সময় উত্তর গোলার্ধে দিন দীর্ঘ ও রাত ক্ষুদ্র দেখা যায়। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময় দীর্ঘ রাত ও ক্ষুদ্র দিন পরিলক্ষিত হয়। ২১শে জুন পথিবীতে উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন এবং ক্ষুদ্রতম রাত থাকে। ২৩শে সেপ্টেম্বরের পূর্ব পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট থাকে। ১২ই জুলাই দিন বড় এবং রাত ছোট হওয়ায় গ্রীষ্মকালের আবহাওয়া পরিলক্ষিত হয়। এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হওয়ায় এখানে শীতকালের আবহাওয়া বিরাজ করে।

সুতরাং দেখা যায়, ‘w’ স্থানে অর্থাৎ ১২ই জুলাই উত্তর গোলার্ধে দিন বড় থাকে এবং রাত ছোট থাকে। এ সময় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘w’ ও ‘X’ অবস্থানে পৃথিবীতে ভিন্ন ভিন্ন ঋতু পরিলক্ষিত হয়। পৃথিবী ১২ই জুলাই ‘w’ অবস্থানে থাকে এবং ৩রা জানুয়ারি ‘X’ অবস্থানে থাকে। নিচে এ দুটি অবস্থানে পৃথিবীতে যে ঋতু পরিলক্ষিত হয়, তা বিশ্লেষণ করা হলো-

১২ই জুলাই পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে বেশি সূর্যকিরণ পড়ে, তাই উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয়। তখন উত্তর গোলার্ধে রাত ছোট হয়। এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর গোলার্ধের ঠিক বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। ১২ই জুলাই উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল হয়। ৩রা জানুয়ারি পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে বেশি সূর্যকিরণ পড়ে। এ সময় দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। একই সময় উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।

অর্থাৎ ৩রা জানুয়ারি দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হয়। সুতরাং দেখা যায়, ‘w’ ও ‘x’ অবস্থানে পৃথিবীতে একই ধরনের আবহাওয়া পরিলক্ষিত হয় না। সম্পূর্ণ বিপরীত ঋতু পরিলক্ষিত হয়।

প্রশ্ন-৩ : নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. নক্ষত্র কাকে বলে?

খ. কৃত্রিম উপগ্রহ বলতে কী বোঝ?

গ. চিত্রের জ্যোতিষ্ক ‘ক’ এর বর্ণনা দাও।

ঘ. জোতিষ্ক ‘ক’ ও ‘খ’-এর জন্য সূর্যের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

৩নং প্রশ্নের উত্তর

ক. যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে।

. মানুষের তৈরি বিভিন্ন উপগ্রহ আছে যারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। এদের বলে কৃত্রিম উপগ্রহ। আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তথ্য আদান-প্রদান, গোয়েন্দা নজরদারি, খনিজ সম্পদের সন্ধান, পরিবেশ দূষণ নির্ণয় ইত্যাদি কাজে এসব কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করা হয়।

গ. উল্লিখিত জ্যোতিষ্ক হলো একটি গ্রহ। নিচে গ্রহ সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া হলো-

মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে। এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়। এই তাপেই উত্তপ্ত হয়। এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না। এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

ঘ. জ্যোতিষ্ক ‘ক’ ও ‘খ’ এর জন্য সূর্যের প্রয়োজনীয়তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

সূর্য একটি নক্ষত্র। এটি একটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের নক্ষত্র। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার এবং ভর প্রায় ১.৯৯´১০১৩ কিলোগ্রাম। এটি সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক। পৃথিবী, অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস সূর্য। সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবী চির অন্ধকার থাকত এবং পৃথিবীতে জীবজগৎ ও উদ্ভিদজগতের কিছুই বাচত না। মূলত সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রহগুলো মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্যকে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজকর্ম চলে।

তাই বলা যায়, শুধু জ্যোতিষ্ক ‘ক’ ও ‘খ’ নয় সকল গ্রহ ও উপগ্রহের জন্য সূর্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

প্রশ্ন৪ : ‘A’ স্থানটি উত্তর গোলার্ধে এবং ‘B’ স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। ‘A’ স্থানে যখন সকাল ৮টা তখন ‘B’ স্থানে দুপুর ১২ টা বাজে। ‘A’ স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব।

ক. জিআইএস (GIS) কাকে বলে?

খ. জিপিএস (GPS) এর সুবিধা লেখ।

গ. ‘B’ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় কর।

ঘ. ‘A’ ও ‘B’ স্থানের মধ্যে ঋতুভিত্তিক পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

৪নং প্রশ্নের উত্তর

. ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস (GIS) বলে।

. জিপিএসের সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ জানা যায়। এছাড়া ভূমির জরিপের সময় কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই জমির সীমানা চিহ্নিত করা যায়। ফলে সময় অনেক কম অপচয় হয়। দুর্যোগকালীন সময়ে জিপিএসের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ে দুর্যোগকবলিত এলাকার অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ চিহ্নিত করে সঠিক অবস্থান জেনে সাহায্য প্রেরণ করা যায়। জিপিএসের মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহ থেকে

বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

গ. উদ্দীপকে ‘A’ স্থানের স্থানীয় সময় যখন সকাল ৮টা তখন

B প্রানের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা।

এখানে, সময়ের ব্যবধান (১২-৮) ঘন্টা

= ৪ ঘণ্টা বা (৪ x ৬০)মিনিট = ২৪০ মিনিট

৪ মিনিট সময়ের জন্য দ্রাঘিমার পার্থক্য হয় ১ ডিগ্রি

.:.         ১      ”           ”        ”         ”           ”        ”   /

.:.         ২৪০ ”                   ”         ”           ”        ”   / x ২৪০ ”

= ৬০ ডিগ্রি

A স্থানের দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব হলে B স্থানের দ্রাঘিমা হবে (৯০ + ৬০°) = ১৫০°

যেহেতু B স্থানের সময় A স্থানের সময় অপেক্ষা বেশি সেহেতু B স্থানটি A স্থানের পূর্বে অবস্থিত।

.:. B স্থানের দ্রাঘিমা ১৫০° পূর্ব।

. ‘A’ ও ‘B’ স্থানের ঋতুর পার্থক্য হওয়ার কারণ অক্ষাংশের ভিন্নতা। নিচে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-

পৃথিবীর পরিক্রমণের ফলে বিভিন্ন সময় সূর্য ভিন্ন ভিন্ন গোলার্ধে অবস্থান করে। এ সময় যে গোলার্ধ সূর্যের নিকটবর্তী হয় সে গোলার্ধ অধিক তাপমাত্রা পায়। ফলে ঐ গোলার্ধে গ্রীষ্মঋতু বিরাজ করে এবং সময় বিপরীত গােলার্ধ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করায় কম তাপমাত্রা পায়। ফলে বিপরীত গোলার্ধে শীতঋতু বিরাজ করে।

উদ্দীপকের ‘A’ স্থানটি ২৩.৫° অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ‘B’ স্থানটি নিরক্ষরেখায় অবস্থিত। সূর্য যখন কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় তখন ‘A’ স্থানে গ্রীষ্ম ঋতু বিরাজ করবে। তবে এ সময় ‘B’ স্থানে সম্পূর্ণ বিপরীত ঋতু পরিলক্ষিত হবে না। কারণ ‘B’ স্থানটি ‘A’ স্থানটির বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত নয়। তবে ‘A’ স্থান থেকে দূরবর্তী অক্ষাংশে অবস্থান করায় ‘B’ স্থানে ভিন্ন ঋতু দেখা যাবে।

আবার সূর্য নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কিরণ দিলে ‘B’ স্থান বেশি তাপমাত্রা পাবে। ফলে এখানে গ্রীষ্মঋতু বিরাজ করবে এবং ‘A’ স্থান কম তাপমাত্রা পাওয়ায় এখানে ভিন্ন ঋতু বিরাজ করবে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, অক্ষাংশ ভিন্ন হলে তাপমাত্রা প্রাপ্তির পার্থক্য হয় বলে ঋতুগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

প্রশ্ন-৫ : নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. অক্ষাংশ কাকে বলে?

খ. একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় তার বর্ণনা দাও।

গ. A ও B স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১২০°। A স্থানে সোমবার সকাল ৭টা হলে B স্থানের বার ও সময় নির্ণয় কর। ঘ. A ও B স্থানের ঋতুর পার্থক্য হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

নং প্রশ্নের উত্তর

ক. নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে।

খ. একটি দেশের মধ্যভাগের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ধারণ করা হয় তা হলো প্রমাণ সময়। মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থানকে ভিত্তি ধরে স্থানীয় সময় নির্ধারণ করা হলে সাধারণত একটি বড় দেশের মধ্যে সময় গণনার বিভ্রাট ঘটে। এ সময়ের বিভ্রাট থেকে বাঁচার জন্য প্রত্যেক দেশে একটি প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়। দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। যেমন- কানাডাতে ৬টি ও যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি প্রমাণ সময় রয়েছে।

গ. A ও B স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১২০°

আমরা জানি,

১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট

.:. ১২০     ”          ”      ”        ”           ”       ” (৪ x ১২০) ”

= ৪৮০ মিনিট

বা, ৮ ঘণ্টা।

যেহেতু B স্থানটি A স্থানের পশ্চিমে অবস্থিত সেহেতু B স্থানের সময় কম হবে।

A স্থানে সোমবার সকাল ৭টা হলে B স্থানের সময় হবে

(সোমবার সকাল ৭টা – ৮ ঘণ্টা) = রবিবার রাত ১১টা।

.:. B স্থানের সময় হবে রবিবার রাত ১১টা।

ঘ. A ও B স্থানের ঋতুর পার্থক্য হওয়ার কারণ অক্ষাংশের ভিন্নতা। নিচে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-

পৃথিবীর পরিক্রমণের ফলে বিভিন্ন সময় সূর্য ভিন্ন ভিন্ন গোলার্ধে অবস্থান করে। এ সময় যে গোলার্ধ সূর্যের নিকটবর্তী হয় সে গোলার্ধ অধিক তাপমাত্রা পায়। ফলে ঐ গোলার্ধে গ্রীষ্মঋতু বিরাজ করে। এ সময় বিপরীত গোলার্ধ সূর্য থেকে দূরে অবস্থান করায় কম তাপমাত্রা পায়। ফলে বিপরীত গোলার্ধে শীতঋতু বিরাজ করে।

উদ্দীপকের A স্থানটি ২৩.৫° অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা এবং B স্থানটি নিরক্ষরেখায় অবস্থিত। সূর্য যখন কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় তখন A স্থানে গ্রীষ্মঋতু বিরাজ করবে। তবে B স্থানে সম্পূর্ণ বিপরীত ঋতু পরিলক্ষিত হবে না। কারণ B স্থানটি A স্থানটির বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত নয়।

তবে A স্থান থেকে দূরবর্তী অক্ষাংশে অবস্থান করায় B স্থানে ভিন্ন ঋতু দেখা যাবে। আবার সূর্য নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে কিরণ দিলে B স্থান বেশি তাপমাত্রা পাবে। ফলে এখানে গ্রীষ্মঋতু বিরাজ করবে এবং A স্থান কম তাপমাত্রা পাওয়ায় এখানে ভিন্ন ঋতু বিরাজ করবে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, অক্ষাংশ ভিন্ন হলে তাপমাত্রা প্রাপ্তির পার্থক্য হয়। ফলে ঋতুগত ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

প্রশ্ন-৬ : নিচের চিত্রটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :

ক. নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?

খ. দিন ও রাত্রি হয় কেন?

গ. ‘A’ গ্রহটির বর্ণনা দাও।

ঘ. ‘B’ ও ‘C’ গ্রহ দুটির মধ্যে কোনটিতে প্রাণীর অস্তিত্ব টিকে থাকা সম্ভব? যুক্তি দাও।

নং প্রশ্নের উত্তর

. বিভিন্ন আকৃতিবিশিষ্ট নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।

. আহ্নিক গতির ফলে দিন ও রাত্রি হয়। আহ্নিক গতির জন্যে ( পৃথিবীর যেদিক সূর্যের সামনে আসে সেদিক আলোকিত হয়। তখন ঐ আলোকিত স্থানসমূহে দিন। আলোকিত স্থানের উল্টো দিকে অর্থাৎ পৃথিবীর যে দিকটা সূর্যের বিপরীত দিকে, যেখানে সূর্যের আলো পৌছায় না সেদিকটা অন্ধকার থাকে। এসব অন্ধকার স্থানে তখন রাত্রি।

গ. উদ্দীপকের ‘A’ চিহ্নিত গ্রহটি সৌরজগতের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ বুধ। নিচে গ্রহটির বর্ণনা দেওয়া হলো-

বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় এটিকে দেখা যায় না। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।

সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়। বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না। এখানে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি নেই। সুতরাং প্রাণীর অস্তিত্ব নেই। ১৯৭৪ সালের মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো। ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

ঘ. উদ্দীপকের ‘B’ চিহ্নিত গ্রহটি পৃথিবী এবং ‘C’ চিহ্নিত গ্রহটি মঙ্গলগ্রহ। উক্ত গ্রহ দুটির মাঝে পৃথিবীতে প্রাণীর অস্তিত্ব টিকে থাকা সব। নিচে এ সম্পর্কে যুক্তি উপস্থাপন করা হলো-

পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। পৃথিবীর উপরিভাগে রয়েছে বায়ুমণ্ডল। এ বায়ুমণ্ডলের কারণে সূর্যের তাপ সরাসরি পৃথিবীতে পৌছায় না। ফলে এ গ্রহে পরিমিত তাপমাত্রা বিরাজ করে। এছাড়া পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনসহ বিভিন্ন বায়বীয় পদার্থ পরিমিত মাত্রায় রয়েছে। এজন্য গ্রহটি উদ্ভিদ ও প্রাণী বসবাসের উপযোগী হয়েছে।

অন্যদিকে মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি। এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম। মঙ্গল গ্রহে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ খুব বেশি। ফলে এখানে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সত্ব নয় ।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, ‘B’ গ্রহটিতে জীবনধারণের উপযুক্ত পরিবেশ থাকায় এ গ্রহটিতেই প্রাণীর অস্তিত্ব টিকে থাকা সম্ভব ।

প্রশ্ন৭ :  সিয়ামনামক স্থানের বাসিন্দা। স্থানটির দ্রাঘিমা ১৫০° পূর্ব দ্রাঘিমার উপর অবস্থিত। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সিয়াম বিমানে করে ১৫০° পশ্চিম দ্রাঘিমার উপর অবস্থিতনামক স্থানে যাত্রা করল। মাঝপথে বিমানে ঘোষণা দেওয়া হলো, আমরা একটি রেখা অতিক্রম করছি। ফলে আপনারা সময় একদিন যোগ করে নিন।

ক. ছায়াপথ কী?

খ. সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও উত্তপ্ত গ্রহটির বর্ণনা দাও।

গ. উদ্দীপকে ‘ক’ নামক স্থানে সকাল ১০টা বাজলে ‘খ’ নামক স্থানে কয়টা বাজবে?

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রেখাটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

৭নং প্রশ্নের উত্তর

. কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশই ছায়াপথ ।

খ. সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও উত্তপ্ত গ্রহটি হলো শুক্র। শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা থাকায় এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে দেখা যায় না। শুক্রের বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাই অক্সাইডের তৈরি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। অন্যান্য গ্রহ এদের নিজ অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।

গ. উদ্দীপকের ‘ক’ স্থানের দ্রাঘিমা ১৫০° পূর্ব এবং ‘খ’ স্থানের দ্রাঘিমা ১৫০° পশ্চিম।

এখানে, মোট দ্রাঘিমা = (১৫০ + ১৫০)° = ৩০০°

১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট

.:.৩০০ ”       ”            ”      ”     ”           ”        ৪ x ৩০০ ”

= ১২০০ মিনিট বা ২০ ঘণ্টা

যেহেত ‘ক’ স্থানটি থেকে ‘খ’ স্থানটি পশ্চিমে অবস্থিত সেহেত ‘খ’ স্থানের সাথে একদিন যোগ হবে।

‘ক’ স্থানের সময় সকাল ১০টা হলে ‘খ’ স্থানের সময় হবে (সকাল ১০টা + ২০ ঘণ্টা) = সকাল ৬টা।

.:. ‘খ’ স্থানের সময় হবে আগের দিন সকাল ৬টা।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রেখাটি হলো আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা। নিচে রেখাটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-

গাণিতিক ও ব্যবহারিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা। স্থানীয় সময়ের পার্থক্যের জন্য ১৮০° দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থানসমূহে তারিখ ও বার নিয়ে বিভ্রান্তি ঘটে। এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোনো নির্দিষ্ট স্থান থেকে পূর্বে কিংবা পশ্চিমে জাহাজে বা বিমানে দীর্ঘপথ অক্রিম করলে দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পরিবর্তন ঘটে।

পূর্বদিকে অগ্রসর হলে প্রতি ১ পথ অতিক্রমের সাথে সাথে ৪ মিনিট সময় বেড়ে যায়। আবার পশ্চিমদিকে অগ্রসর হলে প্রতি ১ পথ অতিক্রমের সাথে সাথে ৪ মিনিট সময় কমে যায়। ফলে পূর্বগামী জাহাজকে ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমা অতিক্রম করলে স্থানীয় সময় ঠিক রাখার জন্য ১ দিন কমিয়ে দিতে হবে এবং পশ্চিমগামী জাহাজকে ১ দিন বাড়িয়ে দিতে হবে।

১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে ভিত্তি হিসেবে ধরে জলভাগের উপর কল্পিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি আন্তর্জাতিক সময় ও বার হিসাবের ক্ষেত্রে একটি স্বীকৃত মানদণ্ড।

অতএব বলা যায়, আন্তর্জাতিক সময় পরিমাপের ক্ষেত্রে এ রেখাটির গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর PDF পেতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Comment